'' সত্যের সাথে শান্তির পথে ''

শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

ভূয়া কুলক্ষণসমূহ যা ইসলাম থেকে খারিজ করে !

০১,পরীক্ষার আগে ডিম খাওয়া যাবে না বললে,


০২, কথা বলার সময় টিকটিকি ঠিক ঠিক বললে ঠিক বলেছে বললে, 

০৩, যাওয়ার সময় পিছন দিক থেকে ডাকা যাবে না বললে,

০৪, চলার পথে কালো বিড়াল গেলে অশুভ বললে,


০৫, ছোট বাচ্চার কপালে কালো বড় টিপ দিলে,

০৬, রাতের বেলা গাছের পাতা ছেড়া যায় না বললে,

০৭, সন্ধ্যায় ঘরে সন্ধ্যাবাতি জ্বলাতে হয় বললে,

০৮, বৃষ্টি এখন আসল কেন বললে,


০৯, চিরুনি বা যেকোনো জিনিস নিচে পড়লে কুটুম আসবে বললে,

১০, খাওয়ার সময় তালুতে উঠলে কেউ স্মরণ করছে ভাবলে,

১১, জোড়া শালিক দেখলে ভাগ্য ভালো বললে,

১২, বেজোড় হাঁচি দিলে ভাগ্য খারাপ বললে,
 
১৩, 
চন্দ্রগ্রহণে ঘুমালে বাচ্চা লেংড়া হবে বললে,

১৪, জমজ কলা খেলে জমজ সন্তান হবে বললে

এগুলো সবই কুসংস্কার কুলক্ষণ সম্পর্কে যা
বর্জনীয়। আর বাংলাদেশে বেশির
ভাগ লোক শিরিক করে ছোট বাচ্চার
কপালে কালো টিপ দিয়ে যাতে
মানুষের কুলক্ষণ থেকে বাঁচতে পারে
যা আজই ত্যাগ ও তওবা করতে হবে।
আপনিই বলেন কালো টিপ বাচ্চার কি
উপকার করবে আল্লাহ ছাড়া।তাই এসব
বলা থেকে বিরত থাকুন, কারণ নবী(স)
বলেন, ‘‘দ্বীন ইসলামে কুলক্ষণ
বলতেকিছুই নেই।’’ (বুখারি ও মুসলিম)

শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

শহীদ মিনার একটি আকৃতিবিহীন প্রতিমা !!

(হিন্দু ভাইয়েরা দয়াকে এড়িয়ে যাবেন)


দুর্গা দেবীর সামনে,শহীদ মিনারের সামনে ও কবর মাজারের সামনে ফুল দেওয়া একই তা শিরক যা জাহান্নামী করে......

    চিত্রঃ আকৃতিবিহীন কোনো পার্থক্য আছে কি, (প্রথম পাঁচটি আকৃতি সহ খাম্বা,পরের পাচঁটি আকৃতি ছাড়া খাম্বা) দুটোই শিরকের বস্তু ।

আপনি রাস্তা হাটছিলেন হঠাৎ দেখেন মুর্তির সামনে হিন্দুরা ফুল আর কলা রেখে সিজদা করছে আপনি মনে মনে হাসছিলেন আর বলছিলেন মুর্তি কি আর কলা খায় একে কেউ আবার সম্মান করে পরের দিন আপনাকে দেখি খালি পায়ে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করতে। কেন আপনার লজ্জা হয় না খাম্বা পুজা করতে ওরা না হয় দেবী পুজা করছে কিন্তু আপনি মুসলিম হয়ে একি করলেন। আপনার ৬০ বছরের আমল তো এই একটা ফুল রাখায় ধংস হয়ে গেল এখন যদি তওবা না করে মারা যান তাহলে জাহান্নামে যাবেন। কারণ কি জানেন, এই রকম শ্রদ্ধা করা শিরক। এর থেকে সালাম, বরকতের দুই পয়সা লাভ হবে কি, কে বলে আপনি শিক্ষিত আপনি তো মুর্খ জাহেল। আপনি যদি একাই দু হাত তুলে আল্লাহর কাছে বলতেন, আল্লাহ তারা আমার ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে তাদের ক্ষমা করো তাহলে বলা যেত আপনি শিক্ষিত যুবক অর্থ্যাৎ ফুল দেয়া যাবে না আর পুর্বে দিয়ে থাকলে তওবা করতে হবে, আমিও তওবা করেছি।

ভিডিও দেখুনঃ মুযাফ্ফর বিন মুহসিন শহীদ মিনারে ফুল দেয়া যাবে কি না?



( হিন্দু ভাইদের অসম্মান করা আমার উদ্দেশ্য ছিল না, মুসলিম দের 

তাওহীদ শিক্ষা দেওয়া উদ্দেশ্য ছিলো)

চিত্রসহ সহীহ সালাত শিক্ষা ! (চিত্রসহ সহীহ নামায/নামাজ শিক্ষা)




بسم الله الرحمن الرحيم
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,
صَلُّوْا كَمَا رَأَيْتُمُوْنِىْ أُصَلِّىْ،
‘তোমরা ছালাত আদায় কর সেভাবে,
যেভাবে আমাকে ছালাত আদায় করতে দেখছ’...।[1]
ছালাতের সংক্ষিপ্ত নিয়ম ) (مختصر صفة صلاة الرسول صـ
(১) তাকবীরে তাহরীমা : ওযূ করার পর ছালাতের সংকল্প করে ক্বিবলামুখী দাঁড়িয়ে ‘আল্লা-হু আকবর’ বলে দু’হাত কাঁধ বরাবর উঠিয়ে তাকবীরে তাহরীমা শেষে বুকে বাঁধবে। এ সময় বাম হাতের উপরে ডান হাত কনুই বরাবর রাখবে অথবা বাম কব্জির উপরে ডান কব্জি রেখে বুকের উপরে হাত বাঁধবে। অতঃপর সিজদার স্থানে দৃষ্টি রেখে বিনম্রচিত্তে নিম্নোক্ত দো‘আর মাধ্যমে মুছল্লী তার সর্বোত্তম ইবাদতের শুভ সূচনা করবে।-
اَللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِيْ وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ اَللَّهُمَّ نَقِّنِيْ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اَللَّهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَد-
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা বা-‘এদ বায়নী ওয়া বায়না খাত্বা-ইয়া-ইয়া, কামা বা-‘আদতা বায়নাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিবি। আল্লা-হুম্মা নাকক্বিনী মিনাল খাত্বা-ইয়া, কামা ইউনাকক্বাছ ছাওবুল আব্ইয়াযু মিনাদ দানাসি। আল্লা-হুম্মাগ্সিল খাত্বা-ইয়া-ইয়া বিল মা-য়ি ওয়াছ ছালজি ওয়াল বারাদি’।
অনুবাদ : হে আল্লাহ! আপনি আমার ও আমার গোনাহ সমূহের মধ্যে এমন দূরত্ব সৃষ্টি করে দিন, যেমন দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে পরিচ্ছন্ন করুন গোনাহ সমূহ হ’তে, যেমন পরিচ্ছন্ন করা হয় সাদা কাপড় ময়লা হ’তে। হে আল্লাহ! আপনি আমার গুনাহ সমূহকে ধুয়ে ছাফ করে দিন পানি দ্বারা, বরফ দ্বারা ও শিশির দ্বারা’।[2]
একে ‘ছানা’ বা দো‘আয়ে ইস্তেফতাহ বলা হয়। ছানার জন্য অন্য দো‘আও রয়েছে। তবে এই দো‘আটি সর্বাধিক বিশুদ্ধ।
(২) সূরায়ে ফাতিহা পাঠ : দো‘আয়ে ইস্তেফতা-হ বা ‘ছানা’ পড়ে আ‘ঊযুবিল্লাহ বিসমিল্লাহ সহ সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করবে এবং অন্যান্য রাক‘আতে কেবল বিসমিল্লাহবলবে। জেহরী ছালাত হ’লে সূরায়ে ফাতিহা শেষে সশব্দে ‘আমীন’ বলবে।
সূরায়ে ফাতিহা (মুখবন্ধ) সূরা-১, মাক্কী :
أَعُوْذُ بِا للہِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ (1) الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (2) الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ (3) مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (4) إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (5) اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ (6) صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ (7)
উচ্চারণ : আ‘ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শায়ত্বা-নির রজীম। বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম। (১) আলহাম্দু লিল্লা-হি রবিবল ‘আ-লামীন (২) আর রহমা-নির রহীম (৩) মা-লিকি ইয়াওমিদ্দীন (৪) ইইয়া-কা না‘বুদু ওয়া ইইয়া-কা নাস্তা‘ঈন (৫) ইহ্দিনাছ ছিরা-ত্বাল মুস্তাক্বীম (৬) ছিরা-ত্বাল্লাযীনা আন‘আমতা ‘আলাইহিম (৭) গায়রিল মাগযূবি ‘আলাইহিম ওয়া লায্ যোয়া-ল্লীন।
অনুবাদ : আমি অভিশপ্ত শয়তান হ’তে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)। (১) যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগত সমূহের প্রতিপালক (২) যিনি করুণাময় কৃপানিধান (৩) যিনি বিচার দিবসের মালিক (৪) আমরা একমাত্র আপনারই ইবাদত করি এবং একমাত্র আপনারই সাহায্য প্রার্থনা করি (৫) আপনি আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন করুন! (৬) এমন লোকদের পথ, যাঁদেরকে আপনি পুরস্কৃত করেছেন (৭) তাদের পথ নয়, যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট হয়েছে’। আমীন! (হে আল্লাহ! আপনি কবুল করুন)।
(৩) ক্বিরাআত : সূরায়ে ফাতিহা পাঠ শেষে ইমাম কিংবা একাকী মুছল্লী হ’লে প্রথম দু’রাক‘আতে কুরআনের অন্য কোন সূরা বা কিছু আয়াত তেলাওয়াত করবে। কিন্তু মুক্তাদী হ’লে জেহরী ছালাতে চুপে চুপে কেবল সূরায়ে ফাতিহা পড়বে ও ইমামের ক্বিরাআত মনোযোগ দিয়ে শুনবে। তবে যোহর ও আছরের ছালাতে ইমাম মুক্তাদী সকলে প্রথম দু’রাক‘আতে সূরায়ে ফাতিহা সহ অন্য সূরা পড়বে এবং শেষের দু’রাক‘আতে কেবল সূরায়ে ফাতিহা পাঠ করবে।
(৪) রুকূ : ক্বিরাআত শেষে ‘আল্লা-হু আকবর’ বলে দু’হাত কাঁধ অথবা কান পর্যন্ত উঠিয়ে ‘রাফ‘উল ইয়াদায়েন’ করে রুকূতে যাবে। এ সময় হাঁটুর উপরে দু’হাতে ভর দিয়ে পা, হাত, পিঠ ও মাথা সোজা রাখবে এবং রুকূর দো‘আ পড়বে। রুকূর দো‘আ : سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمِ ‘সুবহা-না রবিবয়াল ‘আযীম’ (মহাপবিত্র আমার প্রতিপালক যিনি মহান) কমপক্ষে তিনবার পড়বে।
(৫) ক্বওমা : অতঃপর রুকূ থেকে উঠে সোজা ও সুস্থিরভাবে দাঁড়াবে। এ সময় দু’হাত ক্বিবলামুখী খাড়া রেখে কাঁধ পর্যন্ত উঠাবে এবং ইমাম ও মুক্তাদী সকলে বলবে ‘সামি‘আল্লা-হু লিমান হামিদাহ’ (আল্লাহ তার কথা শোনেন, যে তার প্রশংসা করে)। অতঃপর ‘ক্বওমা’র দো‘আ একবার পড়বে।
ক্বওমার দো‘আ : رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ ‘রববানা লাকাল হাম্দ’ (হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার জন্যই সকল প্রশংসা)। অথবা পড়বে- رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُّبَارَكًا فِيْهِ ‘রববানা ওয়া লাকাল হাম্দু হাম্দান কাছীরান ত্বাইয়েবাম মুবা-রাকান ফীহি’ (হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার জন্য অগণিত প্রশংসা, যা পবিত্র ও বরকতময়)। ক্বওমার জন্য অন্য দো‘আও রয়েছে।
(৬) সিজদা : ক্বওমার দো‘আ পাঠ শেষে ‘আল্লা-হু আকবর’ বলে প্রথমে দু’হাত ও পরে দু’হাঁটু মাটিতে রেখে সিজদায় যাবে ও বেশী বেশী দো‘আ পড়বে। এ সময় দু’হাত ক্বিবলামুখী করে মাথার দু’পাশে কাঁধ বা কান বরাবর মাটিতে স্বাভাবিকভাবে রাখবে। কনুই ও বগল ফাঁকা থাকবে। হাঁটুতে বা মাটিতে ঠেস দিবে না। সিজদা লম্বা হবে ও পিঠ সোজা থাকবে। যেন নীচ দিয়ে একটি বকরীর বাচ্চা যাওয়ার মত ফাঁকা থাকে।
সিজদা থেকে উঠে বাম পায়ের পাতার উপরে বসবে ও ডান পায়ের পাতা খাড়া রাখবে। এ সময় স্থিরভাবে বসে দো‘আ পড়বে। অতঃপর ‘আল্লা-হু আকবর’ বলে দ্বিতীয় সিজদায় যাবে ও দো‘আ পড়বে। রুকূ ও সিজদায় কুরআনী দো‘আ পড়বে না। ২য় ও ৪র্থ রাক‘আতে দাঁড়াবার প্রাক্কালে সিজদা থেকে উঠে সামান্য সময়ের জন্য স্থির হয়ে বসবে। একে ‘জালসায়ে ইস্তিরা-হাত’ বা ‘স্বস্তির বৈঠক’ বলে। অতঃপর মাটিতে দু’হাতে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে যাবে।
সিজদার দো‘আ : سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى (সুবহা-না রবিবয়াল আ‘লা) অর্থঃ ‘মহাপবিত্র আমার প্রতিপালক যিনি সর্বোচ্চ’। কমপক্ষে তিনবার পড়বে। রুকূ ও সিজদার অন্য দো‘আও রয়েছে।
দুই সিজদার মধ্যবর্তী বৈঠকের দো‘আ :
اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِيْ وَاجْبُرْنِيْ وَاهْدِنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ-
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাগ্ফিরলী ওয়ারহাম্নী ওয়াজ্বুরনী ওয়াহ্দিনী ওয়া ‘আ-ফেনী ওয়ার্ঝুক্বনী
অনুবাদ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমার উপরে রহম করুন, আমার অবস্থার সংশোধন করুন, আমাকে সৎপথ প্রদর্শন করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন ও আমাকে রূযী দান করুন’।[3]
(৭) বৈঠক : ২য় রাক‘আত শেষে বৈঠকে বসবে। যদি ১ম বৈঠক হয়, তবে কেবল ‘আত্তাহিইয়া-তু’ পড়ে ৩য় রাক‘আতের জন্য উঠে যাবে। আর যদি শেষ বৈঠক হয়, তবে ‘আত্তাহিইয়া-তু’ পড়ার পরে দরূদ, দো‘আয়ে মাছূরাহ ও সম্ভব হ’লে বেশী বেশী করে অন্য দো‘আ পড়বে। ১ম বৈঠকে বাম পায়ের পাতার উপরে বসবে এবং শেষ বৈঠকে ডান পায়ের তলা দিয়ে বাম পায়ের অগ্রভাগ বের করে বাম নিতম্বের উপরে বসবে ও ডান পা খাড়া রাখবে। এসময় ডান পায়ের আঙ্গুলগুলি ক্বিবলামুখী করবে। বৈঠকের সময় বাম হাতের আঙ্গুলগুলি বাম হাঁটুর প্রান্ত বরাবর ক্বিবলামুখী ও স্বাভাবিক অবস্থায় থাকবে এবং ডান হাত ৫৩-এর ন্যায় মুষ্টিবদ্ধ রেখে সালাম ফিরানোর আগ পর্যন্ত শাহাদাত অঙ্গুলি নাড়িয়ে ইশারা করতে থাকবে। মুছল্লীর নযর ইশারার বাইরে যাবে না।
বৈঠকের দো‘আ সমূহ :
(ক) তাশাহ্হুদ (আত্তাহিইয়া-তু):
اَلتَّحِيَّاتُ ِللهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِيْنَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ-
উচ্চারণ : আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ্ ছালাওয়া-তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা-তু আসসালা-মু ‘আলায়কা আইয়ুহান নাবিইয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু। আসসালা-মু ‘আলায়না ওয়া ‘আলা ‘ইবা-দিল্লা-হিছ ছা-লেহীন। আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আনণা মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহু 
অনুবাদ : যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হৌক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক। শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল’ (বুঃ মুঃ)[4]
(খ) দরূদ :
اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ- اَللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ-
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ছাল্লে ‘আলা মুহাম্মাদিঁউ ওয়া ‘আলা আ-লে মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লায়তা ‘আলা ইবরা-হীমা ওয়া ‘আলা আ-লে ইব্রা-হীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বা-রিক ‘আলা মুহাম্মাদিঁউ ওয়া ‘আলা আ-লে মুহাম্মাদিন কামা বা-রক্তা ‘আলা ইব্রা-হীমা ওয়া ‘আলা আ-লে ইব্রা-হীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ 
অনুবাদ : ‘হে আল্লাহ! আপনি রহমত বর্ষণ করুন মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের উপরে, যেমন আপনি রহমত বর্ষণ করেছেন ইবরাহীম ও ইবরাহীমের পরিবারের উপরে। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ! আপনি বরকত নাযিল করুন মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের উপরে, যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছেন ইবরাহীম ও ইবরাহীমের পরিবারের উপরে। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও সম্মানিত’।[5]
(গ) দো‘আয়ে মাছূরাহ :
اَللَّهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيْرًا وَّلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدَكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ-
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী যালামতু নাফ্সী যুলমান কাছীরাঁও অলা ইয়াগ্ফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা, ফাগ্ফিরলী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা ওয়ারহাম্নী ইন্নাকা আন্তাল গাফূরুর রহীম’ 
অনুবাদ : ‘হে আল্লাহ! আমি আমার নফসের উপরে অসংখ্য যুলুম করেছি। ঐসব গুনাহ মাফ করার কেউ নেই আপনি ব্যতীত। অতএব আপনি আমাকে আপনার পক্ষ হ’তে বিশেষভাবে ক্ষমা করুন এবং আমার উপরে অনুগ্রহ করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান’।[6]
এর পর অন্যান্য দো‘আ সমূহ পড়তে পারে।
(৮) সালাম : দো‘আয়ে মাছূরাহ শেষে প্রথমে ডাইনে ও পরে বামে ‘আসসালামু আলায়কুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ’ (আল্লাহর পক্ষ হ’তে আপনার উপর শান্তি ও অনুগ্রহ বর্ষিত হৌক!) বলে সালাম ফিরাবে। প্রথম সালামের শেষে ‘ওয়া বারাকা-তুহু’ (এবং তাঁর বরকত সমূহ) যোগ করা যেতে পারে। এভাবে ছালাত সমাপ্ত করে প্রথমে সরবে একবার‘আল্লা-হু আকবর’ (আল্লাহ সবার বড়) ও তিনবার ‘আস্তাগফিরুল্লা-হ’ (আমি আল্লাহর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনা করছি) বলে নিম্নের দো‘আসমূহ এবং অন্যান্য দো‘আ পাঠ করবে। এ সময় ইমাম হ’লে ডাইনে অথবা বামে ঘুরে সরাসরি মুক্তাদীগণের দিকে ফিরে বসবে। অতঃপর সকলে নিম্নের দো‘আ সহ অন্যান্য দো‘আ পাঠ করবে।-
اَللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ، وَمِنْكَ السَّلاَمُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ-
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা আন্তাস সালা-মু ওয়া মিন্কাস্ সালা-মু, তাবা-রক্তা ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম ।
অনুবাদ : ‘হে আল্লাহ আপনিই শান্তি, আপনার থেকেই আসে শান্তি। বরকতময় আপনি, হে মর্যাদা ও সম্মানের মালিক’। এটুকু পড়েই উঠে যেতে পারেন। [7] পরবর্তী দো‘আ সমূহ ‘ছালাত পরবর্তী যিকর সমূহ’ অধ্যায়ে দ্রষ্টব্য।


[1] . বুখারী হা/৬৩১, ৬০০৮, ৭২৪৬; মিশকাত হা/৬৮৩, ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, অনুচ্ছেদ-৬।
[2] . মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/৮১২ ‘তাকবীরের পর যা পড়তে হয়’ অনুচ্ছেদ-১১।
[3] . তিরমিযী হা/২৮৪; ইবনু মাজাহ হা/৮৯৮; আবুদাঊদ হা/৮৫০; ঐ, মিশকাত হা/৯০০, অনুচ্ছেদ-১৪; নায়লুল আওত্বার ৩/১২৯ পৃঃ।
[4] . মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/৯০৯ ‘ছালাত’ অধ্যায়-৪, ‘তাশাহহুদ’ অনুচ্ছেদ-১৫।
[5] . মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/৯১৯ ‘রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ পাঠ’ অনুচ্ছেদ-১৬; ছিফাত ১৪৭ পৃঃ, টীকা ২-৩ দ্রঃ।
[6] . মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মিশকাত হা/৯৪২ ‘তাশাহহুদে দো‘আ’ অনুচ্ছেদ-১৭; বুখারী হা/৮৩৪ ‘আযান’ অধ্যায়-২, ‘সালামের পূর্বে দো‘আ’ অনুচ্ছেদ-১৪৯।
[7] . মুসলিম, মিশকাত হা/৯৬০, ‘ছালাতের পরে যিকর’ অনুচ্ছেদ-১৮। ‘সালাম ফিরানোর পরে দো‘আ সমূহ’ সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ে দ্রষ্টব্য।

পড়,কালোপাথর,কুরআন,চাদঁচিহ্ন,আল্লাহ এর রহস্য বাইবেল ও কুরআন কে ভিত্তি করে।

বাইবেল একটি ঈশ্বর প্রদত্ত গ্রন্থ যাতে বিশ্বাসী মুসলিমরা,খ্রিষ্টানরা এবং ইহুদীরাও আংশিক।

ইহুদীদের ডাক ঈশ্বরকেঃ এলোহিম,এলোহ,ইয়াওহে,YHYH,।
খ্রিষ্টানদের ডাক ঈশ্বরকেঃ গড,জেহোবা,এলিজাহ,Jesus Christ।
মুসলিমদের ডাক ঈশ্বরকেঃ আল্লাহ,আর রাহমান,আর রাহীম,রব।{#:১}


মুসলিমরা আর ইহুদী খ্রিষ্টানরা হচ্ছে পরষ্পর চাচাতো ভাই আক্ষরিক অর্থে কারণ তারা [ইব্রাহিম(আ)/ আব্রাহাম/ Abraham] এর পুত্র [ইসমাইল(আ)/ ইসমায়েল/ Ismael] এর বংশধর মুহম্মদﷺ আর [ইসহাক/Issac] এর বংশধর [ইসা(আ)/ যিশু/ জেসাস/ Jesus] আরও গভীরে [নূহ (আ)/ নোয়া/ নোহা/ Noah] এর ১ম পুত্র [সাম/শ্যাম/ শাম/ Shem] থেকে সেমেটিকজাতি তথা পূর্ব-আরব (সৌদিআরব,ইরাক,ওমান,কুয়েত,আরবআমিরাত,) এবং ২য়পুত্র [হাম/Ham] থেকে হেমেটিক জাতি তথা(মিশর,আফ্রিকা,হাবাশা বা ইথিওপিয়া,কঙ্গো,সোমালিয়া,হিন্দুস্থান- বাংলাদেশ,শ্রীলংকা,তামিলনাড়ু,তেলেনগানা) এবং ৩য়পুত্র [ইয়াফিছ/ইয়াফিস/Japheth]থেকে রোমকজাতি তথা (গ্রিক,সমগ্রইউরোপ,চীন,রাশিয়া,ইরান,পাকিস্তান,হিন্দুস্থান পান্জ্ঞাব,কাশ্মীর, দিল্লী) আর ৪র্থ পুত্র [ইয়াম/কেন‘আন/Yam] কাফের হয়ে প্লাবনে ডুবে মারা যায় ঐ বন্যায় যা ছিল আল্লাহর আজাব নূহ এর অবিশ্বাসী কওমের উপর। তাছাড়াও আল্লাহ ইহুদী খ্রিষ্টানের মেয়ে বিয়ে করা বৈধ করেছেন(যদিও না করাই ভালো তাও বলেছেন),তাছাড়াও তাদের জবো করা প্রাণী খাওয়াও বৈধ করেছেন(শূকর অত্যন্ত অভাবে নিরুপায় অবস্থায়) তাই বোঝাগেল,অন্যান্য জাতির চেয়ে তারাই আমাদের কাছের লোক এবং চাচাত ভাইও বটে।


কিন্তু ভাবার্থে পার্থক্য রয়েছে কারণ তারা তাদের বাইবেল তথা [তৌরাত/তাওরাত/ওল্ড টেস্টেমেন্ট/ Torah/ Old testament] এবং [ইন্জিল/ নিউটে স্টেমেন্ট/গসপেল/ Gospel] কে সঠিকভাবে না মেনে,তার নিয়ম না বাস্তবায়ন করে অহংকার করেছে এবং নিজের মতবাদ ও স্বা- র্থের অনুগামী হয়েছে ফলে তারা সত্যবিচ্যুত হয়েছে এবং আল্লাহ তাদের দুনিয়াতেই সুখ দান করেছেন আর আখেরাতে রয়েছে চরম শাস্তি যদি তারা 
 ফিরে না আসে।





চিত্রঃ ১,হচ্ছে সেই যুগের পৃথিবীর আকৃতি যা এখন বদলেছে যেখানে হাম,সাম ও ইয়াফেছের বংশধর বসবাস শুরু করে। 


চিত্রঃ ২,হচ্ছে রোমকজাতি সাদা,সেমেটিকজাতি শ্যামলা আর হেমেটিকজাতি কালো। 




এখানে আমার হিস্টোরি লেখার ইচ্ছা নেই সেটা পরে লেখব, 
এখন ওহী (পড়),কালোপাথর,কুরআন,চাদঁচিহ্ন,আল্লাহ এর রহস্য বাইবেল ও কুরআন কে ভিত্তি করে বের করাই আমার উদ্দেশ্য।এগুলো আমি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করব তাই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়তে হবে {#} এর ব্যাখ্যাসহ তাহলেই এগুলোর তথাঃ ওহী,কালোপাথর,কুরআন,চাদঁ চিহ্ন,আল্লাহ রহস্য খুজেঁ পাবেন। এজন্য আমি বাইবেল (জেনেসিস,এক্সোডাস,যোহন,অ্যাকটস,এজেকিয়েল, ইসাইয়া,যোনাহ,বাইবেলের কমেন্ট্রি(ইসাইয়া),কুরআন(সম্পূর্ণ),ইসলামিক ইতিহাস(বদরযুদ্ধ পর্যন্ত),নবীদের কাহিনী (প্রায় সম্পূর্ণ),তাফসীর(আলাক,ফীল ইত্যাদি) পড়েছি ও রেফারেন্স উল্লেখ করেছি।


!!//ইসলামে''পড়''এর রহস্য//!!



'পড়' কথাটি অত্যন্ত তাৎপর্য্যপূর্ণ কারণ ''কুরআন না পড়ে যেমন কুরআনের বিরুদ্ধে বলা //মূর্খের কাজ//, তেমনি কুরআন না পড়ে কুরআন এর পক্ষে কথা বলা হচ্ছে //মহাগন্ড মূর্খের কাজ//।'' 


তাই নিরক্ষর(এটা রহস্য যাতে অবিশ্বাসীরা না বলে যে কুরআন তার রচনা আর শিক্ষক থাকলে বলত আমি নবী হলাম না তুমি তো আমার ছাত্র তাই জীব্রাঈল তাকে শিক্ষা দিয়েছেন) আল-আমীন(অর্থ্যাৎ চরম সত্যবাদী আমানত দার) [মুহাম্মদﷺ/মোহামেত/ Muhammad(sm)] যখন হেরা গুহায় ভাবছিলেন যে আরবরা এ কার পূজা করে, সামান্য মুর্তি লাত,ওযযা,মানাত আর এদের প্রধান হুবালকে মুর্তি রূপে আর সবকিছুর স্রষ্টা রিযিকদাতা মানে আল্লাহকে যার ইবাদত করতেন আমার পিতামহ ইব্রাহিম(আ) এবং আমিও সেই আল্লাহরই ইবাদত করি কিন্তু সঠিকপদ্ধতি জানি না, আসলে সঠিকপথ(ইবাদত) কোনটি?[১] 


এভাবেই হঠাৎ একদিন হেরা গুহায় [জীব্রাঈল(আ)/গেব্রিল/জেব্রিল/Gabriel/Holy Spirit] আল্লাহর ওহী নিয়ে اقرأ ''(ইকরা)'' অর্থ্যাৎ ''পড়''। 


অর্থ্যাৎ ইসলামের প্রথম আয়াতই হচ্ছে ''পড়'' তুমি নিরক্ষর হলেও পড় এবং অক্ষর হলেও পড়। না পড়ে কোনো কথা বলো না এজন্য বলা হয় নবী(সা) ''একজন শিক্ষিত লোককে দশজন অবিশ্বাসীর সাথে।'' 


'ইকরা' শব্দের দুটি অর্থ ''বই দেখে দেখে পড়া'' অথবা ''মুখস্থ পড়া(শুনে শুনে)''। তাই নবী(সা) আক্ষরিক অর্থ নিয়ে ভাবলেন আমি তো নিরক্ষর বই পড়তে পারি না তাই বললেন “আমি পড়তে জানি না”। জিবরাইল তাঁকে সজোরে চেপে ধরলেন, অত:পর ছেড়ে দিয়ে আবারো বললেন: ''পড়''! “আমি পড়তে জানি না” দ্বিতীয়বার জবাব দিলেন মুহাম্মদﷺ । তৃতীবার জিবরাইল(আ) তাকে প্রচণ্ড শক্তি দিয়ে সজোরে চেপে ধরলেন যেন মুহাম্মদেরﷺ সহ্যসীমা অতিক্রম করার উপক্রম হল। এবার জিবরাইল(আ) এ আয়াতটি পড়তে বললেন, 
اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ (ইকরা বিসমি রাব্বিকাল্লাজি খালাক) ''পড় তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। 
خَلَقَ الْإِنسَانَ مِنْ عَلَقٍ (খালাকাল ইনসানা মিন 'আলাক') সৃষ্টি করেছেন মানুষকে সামন্য ভূণ থেকে।” 


অর্থ্যাৎ আল্লাহ প্রথমেই মানুষকে বলছেন যে পড় তোমার সৃষ্টিকর্তার নাম নিয়ে এবং জেনে নেও কিভাবে তুমি সৃষ্টি হয়েছ।এতে আমাদের বাইওলোজির ভূণবিদ্যা বিষয়ক শিক্ষাগ্রহণের জন্য আগ্রহী করছেন। 


জিবরাইল(আ) আরও বলেন, 
اقْرَأْ وَرَبُّكَ الْأَكْرَمُ (ইকরা ওয়া রাব্বুকাল আল আকরাম) ''পড়,তোমার পালনকর্তা মহামহিমান্বিত, 
عَلَّمَ الْإِنسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ (আল্লাজি আল্লামা বিল কালাম) যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন, 
كَلَّا إِنَّ الْإِنسَانَ لَيَطْغَى (আল্লামাল ইনসানা মালামইয়ালাম) শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।'' (সূরা আলাক ১-৫) 


এখানে,আল্লাহ বলছেন যে জেনে নেও তোমার রব মহাসম্মানিত(অর্থ্যাৎ সন্তান-সন্ততি জন্ম দেওয়া বা হওয়াটা তাঁর যোগ্য বিষয় নয়,এর মত নিচু কাজ থেকে তিনি উর্দ্ধে) এবং আরো জেনে নেও তিনিই প্রথম কলমের দ্বারা লিখার শিক্ষা দিয়েছেন নবী [ইদরীস(আ)/ ইনোখ/আননূখ/ Enoch] কে তারপর আস্তে আস্তে সবাই লেখার পদ্বতি জানল (বাইবেল ও কুরআন অনুসারে)।মানুষ যা জানত না তা শিক্ষা দেওয়া হয়েছে যেমনঃ নূহ(আ) কে প্রথম নৌকা তৈরির
শিক্ষা দিয়েছেন আল্লাহ, [আদম(আ)/অ্যাডাম/ Adam] কে সকল প্রাণির নাম শিক্ষা দিয়েছিলেন ফলে সকল ফেরেশতা সিজদায় অবনত হয়।
 






এরপর রসূল(সঃ) এই আয়াতগুলো নিয়ে বাড়ি ফিরলেন। এসময় তাঁর কাঁধের পেশী
ভয়ে থরথর করে কাঁপছিল। খাদিজার কাছে পৌঁছেই তিনি বললেন, আমাকে বস্ত্রাবৃত কর (কাপড় দ্বারা ডেকে দাও), আমাকে বস্ত্রাবৃত কর। তখন সকলেই তাঁকে (কম্বল দ্বারা)বস্ত্রাবৃত করল(আসলে তাঁর জ্বর এসেছিল ভয়ের কারণে)। অবশেষে তাঁর ভীতি কেটে গেলে তিনি খাদিজাকে বললেন, খাদিজা আমার কি হল? আমি আমার নিজের সম্পর্কে আশংকাবোধ করছি(মৃত্যুর)। এরপর মুহাম্মদﷺ তাঁকে সব খুলে বললেন। একথা শুনে খাদিজা(রঃ) বললেন, কখনো নয়(আপনার কাছে ফেরেশতা বৈ শয়তান আসতে পারে না)। আপনার জন্য সুসংবাদ। আল্লাহ্‌র কসম! আল্লাহ্‌ কখনো আপনাকে লাঞ্ছিত করবেন না। আপনি আত্মীয়দের খোঁজ-খবর নেন, সত্য কথা বলেন, অসহায় লোকদের কষ্ট লাঘব করে দেন, নিঃস্ব লোকদের উপার্জন করে দেন, মেহমানদের আপ্যায়ন করেন এবং সত্যের পথে আগত বিপদাপদে লোকদের সাহায্য করে থাকেন। 




এখানে, মুহাম্মদﷺ এর চরিত্র সেই পাপাচারে ভরপুর [জাহেলি যুগ/অসভ্য/বর্বর/অন্ধকারচ্ছন্ন/কুসংস্কারচ্ছন্ন] ই রাসূল হওয়ার সংবাদ পাওয়ার আগেই যে ''সৎ,নিখুঁত,পবিত্র,পরিচ্ছন্ন'' ছিল,সেই সার্টিফিকেটই তার সয়ং স্ত্রী খাদিজা(রা) বর্ণনা করেছেন এমনকি যত মুসলিম বা খ্রিষ্টান বা হিন্দু বড় বড় হিস্টোরিয়ান রয়েছেন প্রত্যেকেই এক বাক্যে স্বীকার করেছেন যে মুহাম্মদﷺ এর চরিত্রই সর্বশ্রেষ্ঠ যেমনঃ The 100: A Ranking of the Most Influential Persons in History এটা ঐ বছরের বেস্ট সেলিং বুক, The Message: full movie in English ।এছাড়াও Encyclopaedia Britannica, 11th Edition এ মুহাম্মদﷺ কে চরম সত্যবাদী এবং সবচেয়ে সাকসেসফুল প্রফেট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।এছাড়াও মহাত্মা গান্ধী,নেপলিয়ান বোনোপার্টে,লে মার্টিন,জর্জ বার্নাডশ পর্যন্ত মুহাম্মদﷺ কে সর্বশেষ্ঠ মানব বলে আখ্যায়িত করেছেন তথা লিংকঃ The non-Muslim verdict on Prophet Muhammad (pbuh) তাহলে বোঝা গেল সত্যিই ফেরেশতা এসেছিল ওহী নিয়ে কারণ তিনি তখন এতই সত্যবাদী ছিলেন যে,মক্কার আরবরা সেই জাহেলি যুগেই রাসূল হওয়ার আগেই তাকে ''আল-আমীন'' এবং ''আল সাদিক'' উপাধি দেওয়া হয় মক্কার মুশরিকদের দ্বারা যার অর্থ ''চরম সত্যবাদী ও আমানতদার'' তিনি এমনই আমানতদার ছিলেন যে মদীনায় মৃত্যু ভয়ে হিজরতের (বা পালানোর) সময় আলী(রা) কে ঘরে রেখে যান মক্কার লোকদের গচ্ছিত সম্পদ ফেরত দেওয়ার জন্য তাই যখন মুহাম্মদﷺ কে আরব মুশরিকরা জব করতে আসল তখন ঘরে আলী(রা) কে সম্পদ ফেরত দেওয়ার জন্য দেখে লজ্জার মুখে পতিত হল এবং ভাবল আসলেই তিনি আল-আমীন কিন্তু পুরষ্কারের লোভে যদিও পরে আক্রমণ করতে যান তারা এবং একজন আক্রমণকারী মুসলিম হয়ে ঘরে ফিরেন মুহাম্মদﷺ এর এক মুজেজার কারণে-তা যাই হোক ফেরত আসি প্রসঙ্গে। 




এই ঘটনায় আরও লক্ষ্য করা যায় খাদিজা(রা) ''আল্লাহর কসম'' বলছেন অর্থ্যাৎ তারা মুর্তিপূজা করলেও তাদের সবার উপরে এক অদৃশ্য সত্তার বিশ্বাস ছিল যা এনেছিলেন তাদের পিতামহ ইসমাঈল,ইব্রাহীম(আ)।তারা কাবা,সাফা, মারওয়া তাওয়াফও করত ইব্রাহিম,ইসমাইল(আ) এর বাতানো নিয়ম অনুসারে যা আল্লাহ জিব্রাইল(আ) এর মাধ্যমে শিখিয়েছিলেন কিন্তু প্যাগানদের সংযোযিত তালেবিয়াঃ 
''লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাব্বাইক ইল্লা শারিকান হুয়া লাকা ওমা মালাক।''অর্থ্যাৎ— (আমি উপস্থিত, হে আল্লাহ আমি উপস্থিত,তোমার কোনো শরিক নেই, তোমার কোন শরিক নেই তবে একজন আছে, এই সব কিছুর মালিক আপনি) 




অর্থ্যাৎ তারা হজ্বে স্বীকার ই করত আল্লাহর [অংশীদারত্ব/শিরক/আল্লাহর সমতুল্য/পাটনারসিপ] এটা সংশোধনের জন্যই মুহাম্মদﷺ কে পাঠান আল্লাহ তিনি নতুন কিছুই আনেন নি শুধু সংশোধন করেছেন পূর্বে যা ছিল তার আর আল্লাহ যা বাড়াতে বলেছিল তাই শুধু বাড়িয়েছেন তথা মুসলিমদের তালেবিয়াঃ 
‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি’মাতা লাকা ওয়ালমুলক লা শারিকা লাকা।’অর্থ্যাৎ— (‘আমি উপস্থিত, হে আল্লাহ আমি উপস্থিত, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার।’) 


এখানে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে,আমরা শুধু এক আল্লাহরই ইবাদত করি যার কোনো মুর্তি বা প্রতিমা,প্রতিচ্ছবি নেই।এখন অনেকে বলবেন ঐ [কালোপাথর/হাজরে আসওয়াদ] একে চুমু দেওয়া কি মুর্তিপূজা নয়-আমি বলব হিন্দুদের জিজ্ঞেস করুন কোন মুর্তিপূজার সময় তারা মুর্তিকে চুমু দেয় তাকে ফুল,প্রণাম,সিজদা না করে।আরও একটি কথা আল্লাহ যখন ইব্রাহিম(আ) হজ্বের জন্য নির্দেশ দেন তখন তিনি এর উপরে উঠে সজোরে মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতে ডাক ঠিক একইভাবে বিলাল(রা)ও মক্কা বিজয়ের পর এর উপরে উঠে সজোরে মানুষকে আহব্বান করেন [তাওহীদ/একত্ববাদ] কায়েমের উদ্দেশ্যে। {#:২} 








                                                                      তারপর খাদিজা মুহাম্মদﷺ নিয়ে তাঁর চাচাতো ভাই ওয়ারাকা ইবনে নাওফালের কাছে গেলেন। তিনি জাহেলী যুগে খ্রিষ্ট ধর্মএটা ট্রিনিটি ক্যাথলিক ধর্ম নয় তখনকার একত্ববাদী খিষ্টে বিশ্বাসী ছিলেন মুর্তিপূজা ছেড়ে দিয়ে) যেমন (এখন মুসলিমদের মধ্যেও কবরপূজা,মাজার,খানকা,মিনার,সৌধপূজা বাদী মুসলিম দাবিদার রয়েছে যা একত্ববাদ বিরোধী যদিও এখনও সহীহ সুন্নাহর অনুসারী মুসলিমও অল্পসংখ্যক বিদ্যমান) গ্রহণ করেছিলেন। তিনি আরবীতে বই লিখতেন। আর তিনি আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী আরবীতে ইনজীল (প্রায় অবিকৃত বাইবেল) কিতাব অনুবাদ করে লিখতেন। তিনি খুব বৃদ্ধ ও অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। খাদিজা(রঃ) তাঁকে বললেন, হে আমার চাচাতো ভাই! আপনার ভাতিজা কি বলতে চায় তা শুনুন। ওয়ারাকা বললেন, হে আমার ভাতিজা! তুমি কি দেখেছ? নবী(সঃ) যা কিছু দেখেছেন(আগন্তুক তথা জিবরাইল) তা খুলে বললেন। ওয়ারাকা বললেন, এটা তো সেই ফেরেশতা যাকে পাঠানো হয়েছিল [মূসা(আঃ)/মোশি/মোজেস/মোসেস/Moses] এর কাছে (অর্থ্যাৎ ওয়ারাকা অবিকৃত বাইবেলে শেষ নবীর আগমনের কথা পেয়েছেন এবং অপেক্ষায় ছিলেন যেমন আমরা এখন ইমাম মাহদীর অপেক্ষায় আছি)। আহ! আমি যদি যুবক হতাম। আহ! সেসময় আমি যদি জীবিত থাকতাম। এরপর তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করলে(তথা ভবিষৎ বাণী ইন্জিল থেকে যে মুহাম্মদﷺ কে মক্কা থেকে বিতাড়িত করবে তাঁর আপনজনেরা) রসূল(সঃ) বললেন, সত্যিই তারা কি আমাকে তাড়িয়ে দিবে? 




এখানে, মুহাম্মদﷺ অবাক হয়ে যান যে এরা আমাকে তাড়িয়ে দিবে!!! যারা আমাকে এত ভালোবাসে আমার কাছে সম্পদ,সোনা,গয়না গচ্ছিত রাখে আল-আমীন বিশস্ত বলে উপাধি দিয়েছে।এরা কিনা আমার মাতৃভূমি থেকে আমাকে তাড়িঁয়ে দেবে এটা তাঁর আজীব লাগল বিশ্বাস হতে চাইল না। 






ওয়ারাকা বললেন, হ্যাঁ, তারা তোমাকে তাড়িয়ে দিবে। তুমি যে দাওয়াত নিয়ে এসেছ, এ
দাওয়াত যেই নিয়ে এসেছে তাকেই কষ্ট দেয়া হয়েছে (কারণ মূসাকে মিশর থেকে মাদিয়ান,ইব্রাহিমকে বাবেল থেকে কেন'আন বর্তমান ফিলিস্তীনে হিজরত করেন)। তোমার নবুয়তকালে আমি জীবিত থাকলে অবশ্যই আমি বলিষ্ঠভাবে তোমাকে সাহায্য করতাম। কিন্তু কিছুদিন পরেই ওয়ারাকা ইন্তেকাল করলেন এবং ওহী নাযিলও বেশ কিছিদিন ধরে বন্ধ ছিল যে রসূল(সঃ) ভীষণ চিন্তিত হয়ে পড়লেন(এমনকি তিনি ভাবলেলন যে,কে আসল আমার কাছে আর আসে না কেন তাই তিনি বারবার পাহাড় থেকে নিচে তাকাতেন কিন্তু আত্মহত্যা করেননি)। 






এভাবে ওহী বন্ধ থাকাকালীন সময় একদিন মুহাম্মদﷺপথে হাঁটছিলেন, তখন আকাশ
থেকে একটি আওয়াজ শুনতে পান। মাথা উপরে তুলেই আমি দেখেন, যে ফেরেশতা(জিব্রাঈল) হেরা গুহায় তাঁর কাছে এসেছিলেন তিনি(ই আবার এসেছেন) আসমান ও জমিনের মাঝে রক্ষিত একটি আসনে বসে আছেন। এটা দেখে তিনি ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন,এবং পূর্বের ন্যায় বলেনঃ আমাকে বস্ত্রাবৃত কর, আমাকে বস্ত্রাবৃত কর। সুতরাং সকলেই তাঁকে আবারও বস্ত্রাবৃত করল(অর্থ্যাৎ অনেকদিন পর দেখে আবার জ্বর এসে পরে)।তখন আল্লাহ ওহী পাঠালেন জিব্রাইলের মাধ্যমে যে, “হে বস্ত্রাবৃত! উঠুন, সতর্ক করুন,আপন পালনকর্তার মাহাত্ম্য ঘোষনা করুন,আপন পোশাক পবিত্র করুন এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকুন। ” (সূরা মুদ্দাসসির, আয়াত ০১-০৫) এবং এরপর আল্লাহ ধারাবাহিকভাবে ওহী নাযিল হওয়া শুরু করেন। 


এখানে,আল্লাহ বলছেন ভীতহইও না উঠ এবং আখেরাত সম্পর্কে সতর্ক কর তোমার কওমকে যাতে তারা সৎকর্ম করতে পারে আর তুমি নিজেও বসে থেকোনা অপবিত্রতা তথা-ব্যাভিচার,শূকরের মাংস,মদ্যপান থেকে দূরে থেকে নিজেকে পবিত্র কর এবং উত্তম পোশাক পরে জীব্রাইলের শেখানো পদ্ধতি [সালাত/নামজ] আদায় কর। 




!!//বাইবেলে''পড়''এর রহস্য//!!



আগেই বলেছি''পড়''শব্দটির রহস্য ব্যাপক এই রহস্য বাইবেল পড়তে গিয়ে অনেকেই পেয়েছেন এবং আমিও পেয়েছি যখন পড়লাম [ ইসাইয়াহ/আইজেয়া/Isaiah] এর New International Version (নতুন আন্তর্জাতিক ভার্সন) এর নিম্নোক্ত ভার্স বা আয়াত : 
''Or if you give the scroll to someone who cannot read, and say, "Read this, please," they will answer, "I don't know how to read." [Isaiah 29:12] '''অথবা তুমি কাউকে বইটি দিতে পার, যে পড়তে পারে না| সেই লোকটিকে পড়তে বললে সে বলবে, “আমি এই বই পড়তে পারব না| কারণ কি ভাবে বইটি পড়তে হয় তা আমার জানা নেই|'' [ইসাইয়াহ অধ্যায়ঃ ২৯ অনুচ্ছেদঃ১২] 


অর্থ্যাৎ স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে এটাই মুহাম্মদﷺ এর কাছে ''ওহী'' পৌছাঁনোর ভবিষৎবাণী যা তাঁর [চাচাত ভাইদের/মূসা/ইসা] এবং আল্লাহ প্রদত্ত কিতাবে তথা বাইবেলের নিউটেস্টেমেন্ট এ পাওয়া যায়। 



অনেকে ভাবছেন কুরআন কি বলছে যে ভবিষৎবাণী থাকবে? => হ্যাঁ,অবশ্যই
কুরআন পড়লেই পাবেন সূরা আরাফে তথাঃ 
''_সেসমস্ত লোক, যারা আনুগত্য অবলম্বন করে (অনুসরণ করে) এ রসূলের, যিনি উম্মী(নিরক্ষর) নবী, যাঁর সম্পর্কে তারা(ইহুদী/খ্রিষ্টান) নিজেদের কাছে রক্ষিত তওরাত ও ইঞ্জিলে (ওল্ডটেস্টেমেন্টে ও নিউটেস্টেমেন্টে) লেখা দেখতে পায়, তিনি তাদেরকে নির্দেশ দেন সৎকর্মের, বারণ করেন অসৎকর্ম থেকে; তাদের জন্য যাবতীয় পবিত্র বস্তু হালাল ঘোষনা করেন ও নিষিদ্ধ করেন হারাম বস্তুসমূহ_'' [সুরাঃআল-আরাফ আয়াতঃ১৫৭] 




অর্থ্যাৎ আল্লাহই বলেদিচ্ছেন যে, তিনি পূর্বে যে কিতাব ওহীর মাধ্যমে প্রেরণ করছেন তাতেই শেষ রাসূলের আগমনের কথা এবং বৈশিষ্ট্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন তারমধ্যে একটি যে ''শেষ রাসূল নিরক্ষর হবে'' এবং তাই ইসাইয়াহ গ্রন্থের অধ্যায়ঃ ২৯ অনুচ্ছেদঃ১২-তে উল্লেখ আছেঃ “একজন নবীকে যিনি শিক্ষিত নয়, তাকে একটি কিতাব দেয়া হবে”। আর মুহাম্মদﷺ তো সৎকর্ম করার আদেশ দিতেন তথা-যাকাত(সম্পদের ২়৫% দান) গরিবকে দিতে আদেশ করেছেন তা যদি শুধু মুসলিমরাও প্রতিবছর দিত তাহলে পৃথিবীতে আর কোনো গরিবই থাকত না কিন্তু এই পুজিঁবাদী সমাজে মুসলিমরাই ঠিকমত দেয় না(কারণ ব্যাংকে রাখা লাগবে সুদের জন্য) এমনকি আমার বাবাও ঠিকমত দেয় না হয়ত ১% দেয় কিন্তু বাংলার নাস্তিক ভাইরা বোধহয় ঐ ১% ও দেয় না যদিও বিদেশিরা চ্যারিটি নাম দিয়ে দেয় তাও নিজের সার্থ খুব চাপানো ভাবে লুকায়িত থাকে আর আমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দান করি।এভাবে মুহাম্মদﷺ অসৎকর্ম থেকে নিষেধ করেছেন এবং হারাম হালাল ও পার্থক্য করেছেন। আরও বলা হয়েছে যে,এগুলো কেবল যারাই মুহাম্মদﷺ এর অনুসারী ও বিশ্বাসী(খ্রিষ্টান ও ইহুদী থেকে মুসলিম হয়েছে এমন) শুধু তারাই উপলব্দি করতে পারবে কারণ তারা অহংকার করে এড়িয়ে যাবে না এগুলো বাইবেলে দেখেও বলবে না যে নাই। এভাবেই বাইবেলের খ্রিষ্টান প্রিস্ট/preacher ''জোসেফ স্টেস/Joseph Estes'' মুসলিম হয়েছেন ৫০ বছর বয়সে মুহাম্মদﷺ এর সন্ধান পেয়ে এবং খ্রিষ্টানদের মিথ্যাচার ধরতে পেরে।তার বর্তমান নাম ''ইউসুফ স্টেস/Yusuf Estes'' তাঁর বয়স বর্তমানে ৭১ এবং তিনি এখন কুরআন এবং ইসলামিক স্কোলার।তার মুসলিম হওয়ার পিছনে কারণ তার মুখথেকেই শুনুন  এবং খ্রিষ্টান তিনজন মহিলাসহ একজন পুরুষের ইসলাম গ্রহণের ভিডিও দেখুন যারা তার ইসলাম গ্রহণের কাহিনী শুনে অনুুপ্রাণিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করে। লিংকঃ (এখানে ক্লিক করুন) 


 আগেঃ Joseph Estes


 পরেঃ Yusuf Estes


আরও রয়েছেন বিলাল ফিলিপসসহ আরও অনেকে কিন্তু তা এখন আলোচনা করার সময় নয় এই লিংকে ইচ্ছা করলে চেক করতে পারেনঃ (ক্লিক) 


এবার কুরআনের এমন একটি রহস্যপূর্ণ 
এবং আশ্চর্যজনক আয়াত দেখাব যা মনকে দুলিয়ে দিবে
এবং আমাদের কাজিন খিষ্ট্রান ভাইদের হেলিয়ে দিবে তথাঃ 
''স্মরণ কর, যখন মরিয়ম-তনয় ঈসা (আঃ) বললঃ হে বনী ইসরাইল!(তৎকালীন ইহুদী) আমি তোমাদের কাছে আল্লাহর প্রেরিত রসূল, আমার পূর্ববর্তী তওরাতের(ওল্ডটেস্টেমেন্টের) আমি সত্যায়নকারী এবং আমি এমন একজন রসূলের সুসংবাদদাতা, যিনি আমার পরে আগমন করবেন। তাঁর নাম আহমদ। অতঃপর যখন সে স্পষ্ট প্রমাণাদি নিয়ে আগমন করল, তখন তারা বললঃ এ তো এক প্রকাশ্য যাদু(বলে মেনে নিলো না)।''[সূরা আছ-ছফ 14] 


এবার আসেন এই আয়াতটি বিশ্লেষণ করি এবং বাইবেলের [John/যোহন] এর ১৬ নাম্বার অধ্যায়ে যে নতুন নবীর বৈশিষ্ট্য বর্ণিত রয়েছে তা মিলাইঃ 
"I was sent only to the lost sheep of Israel." [Matthew 15:24]('‘সকলের কাছে নয়, কেবল ইস্রায়েলের(তৎকালীন ইহুদীদের) হারানো মেষদের কাছে আমাকে পাঠানো হয়েছে৷'’) [মথি অধ্যায়ঃ ১৫ অনুচ্ছেদঃ ২৪] 


অপর একটি ভার্সঃ 
"Do not think that I have come to abolish the Law or the Prophets; I have not come to abolish them but to fulfill them.'' [Matthew 5:17]''(হে বনী ইসরাইল)ভেবো না যে আমি [মূসা(আঃ)/মোশি/মোজেস/মোসেস] এর বিধি-ব্যবস্থা ও পূর্ববর্তী [ভাববাদী/নবী/পবিত্রআত্মা/prophet] দের শিক্ষা ধ্বংস করতে এসেছি। আমি তা ধ্বংস করতে আসিনি বরং তা পূর্ণ করতেই এসেছি।)''[মথি অধ্যায়ঃ ৫ অনুচ্ছেদঃ১৭ ] 




এই ভার্সগুলো দিয়ে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যিশু খ্রিষ্ট বা ইসা মসীহ শুধুমাত্র ইহুদী জাতির প্রতি প্রেরিত হয়েছিলেন পুরো মানব জাতির জন্য নয়, যাতে যেই ইহুদীরা পথভ্রষ্ট হয়েছে তাদেঁর পথ দেখাতে পারেন এবং পূর্ববর্তী নবী মূসা বা মোশি যে কিতাব নিয়ে এসেছিলেন তার সত্যতা বর্ণনা করতে পারেন ভবিষৎ বাণী পূর্ণ করে।এটা আরও ভালোভাবে প্রমাণ করা যায় এভাবে যে,বাইবেলেই তো নতুন নবীর বৈশিষ্ট্য দেওয়া আছে এবং যিশুর সাথেই আরেকজন নবী ছিলেন [যোহন/ইয়াহিয়া(আ)/John] এনার নামেই তো Gospel Of John নামক নিউটেস্টেমেন্টের একটি বই লেখা হয়েছে।ইনি ইসা(আ) এর পরেও অনেকদিন তাওহীদের(একত্ববাদের) ডাক দেন।এরকম মূসা(আ)ও যখন প্রেরিত হন ''মিশরের হিব্রু ইহুদীদের'' কাছে তখন একই সময়েই [শো‘আয়েব(আ)Jethro] প্রেরিত 
হন ''মাদিয়ানবাসীদের'' জন্য আবার ইব্রাহিম(আ) যখন প্রেরিত হন ''কালেডীয়দের'' কাছে তারা ছিল প্যাগান ঐ একইসময় [লূত(আ)/Lot]প্রেরিত হন''সাদূমবাসীদের'' প্রতি এই সাদূমবাসীই সর্প্রবথম মানবজাতির ইতিহাসে [পুংমৈথুন বা সমকামিতা]-র মত নোংরামিতে লিপ্ত হয়েছিল তাই আমি মজা করে নাস্তিকভাইদের আউটডেটেট বলি কারণ তারাও তো সমকামিতার বৈধতা পাওয়ার জন্য একেবারে অস্থির হয়েগেছে আগেকারলোকের মত(যদিও মানতেই হবে কিছু নাস্তিকভাইরা ভালো আছেন) 





কিন্তু মুহাম্মদﷺ পুরো মানবজাতির জন্যই প্রেরিত হয়েছেন(তার সময় থেকে
কেয়ামত পর্যন্ত সকল মানুষের জন্য) তার প্রমাণস্বরূপ বাইবেলে খ্রিষ্টের ভবিষৎ বানীই যথেষ্ট এছাড়াও তার সময় তিনি একাই নবী হিসেবে ছিলেন এবং বলেছিলেন আমার পরে আর কেউ নবী হবে না যদি হতেন সেটা হতেন উমর ফারুক(রা)। খ্রিষ্টের ভবিষৎবানী বিষয়ক ভার্সটি তথাঃ 
''But when he, the Spirit of truth, comes, he will guide you into all the truth. He will not speak on his own; he will speak only what he hears, and he will tell you what is yet to come.He will glorify me because it is from me that he will receive what he will make known to you.'' [John 16:13-14] (''সত্যের আত্মা যখন আসবেন, তখন তিনি সকল সত্যের মধ্যে তোমাদের পরিচালিত করবেন৷ তিনি নিজে থেকে কিছু বলেন না, কিন্তু তিনি যা শোনেন তাই বলেন, আর আগামী দিনে কি ঘটতে চলেছে তা তিনি তোমাদের কাছে বলবেন।তিনি আমাকে মহিমান্বিত করবেন, কারণ আমি যা বলি তাই তিনি গ্রহণ করবেন এবং তোমাদের তা বলবেন।)'' [যোহন অধ্যায়ঃ ১৬ অনুচ্ছেদঃ ১৩-১৪] 




আবার, 
''But very truly I tell you, it is for your good that I am going away. Unless I go away, the [Advocate/Helper/Comforter/Counselor] will not come to you; but if I go, I will send him to you.'' [John 16:7](''কিন্তু আমি তোমাদের সত্যি বলছি; আমার যাওয়া তোমাদের পক্ষে ভাল, কারণ আমি যদি না যাই তাহলে সেই সাহায্যকারী তোমাদের কাছে আসবেন না৷ কিন্তু আমি যদি যাই তাহলে আমি তাঁকে তোমাদের কাছে পাঠিয়ে দেব।)''[যোহন অধ্যায়ঃ ১৬ অনুচ্ছেদঃ ৭] 




অতএব বোঝা গেল,মুহাম্মদﷺ ই সেই সাহায্যকারী,কমফোর্টার,কাউন্সিলর
চরম সত্যবাদী যিনি আগমন করেছেন ইসা(আ) এর পর। 




এবার জন John the Baptist/ইয়াহিয়া(আ) এর ভবিষৎ বাণী
''Dear friends, do not believe every spirit, but test the spirits to see whether they are from God, for many false prophets have gone out into the world.'' [1 John 4:1] (প্রিয় বন্ধুরা, সংসারে(পৃথিবীতে) অনেক ভণ্ড ভাববাদী(নবী) দেখা দিয়েছে, তাই তোমরা সব আত্মাকে বিশ্বাস করো না৷ কিন্তু সেই সব আত্মাদের যাচাই করে দেখ য়ে তারা ঈশ্বর হতে এসেছে কিনা৷) [১ম যোহন অধ্যায়ঃ ৪ অনুচ্ছেদঃ ১] 



অর্থ্যাৎ যোহন বললেন সকল নবী দাবীকারীদের বিশ্বাস করো না কিন্তু পরীক্ষা
করো যে সে আসলেই আল্লাহ প্রেরিত কিনা। তাঁর বাতানো পরীক্ষার পদ্ধতি হচ্ছে, 
''This is how you can recognize the Spirit of God: Every spirit that acknowledges that Jesus Christ has come in the flesh is from God,but every spirit that does not acknowledge Jesus is not from God. This is the spirit of the antichrist, which you have heard is coming and even now is already in the world.'' [1 John 4:2-3] 
(এইভাবে তোমরা ঈশ্বরের আত্মাকে চিনতে পারবে যে, কোন আত্মা যীশু খ্রীষ্ট কে রক্ত মাংসের দেহ ধারণ করে এসেছেন বলে স্বীকার করে, সে ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে। কিন্তু যে আত্মা, যীশুকে স্বীকার করে না, সে ঈশ্বরের কাছ থেকে আসে নি৷ এ সেই খ্রীষ্টারির আত্মা, খ্রীষ্টেরশত্রু(এটাই দাজ্জাল) যে আসছে তা তোমরা শুনেছ, আর এখন সে তো সংসারে এসেই গেছে।) [১ম যোহন অধ্যায়ঃ ৪ অনুচ্ছেদঃ ২-৩] 



অতএব বুঝাগেল,যে নবী দাবীদার ব্যক্তি যিশুকে খ্রিষ্ট বলে স্বীকার করবে এবং বলবে
তিনি ইশ্বর প্রেরিত তিনিই সত্য নবী আর মুহাম্মদﷺও তাই বলেছেন যে ইসা হচ্ছেন মসীহ এবং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং আমরা ইসা,মূসা,ইব্রাহিমের অনুসারী। 



আরেকটি ভার্স,যোহনকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি কি মাসাইয়াহ(Messiah) তখন তিনি বললেন, 
''he confessed and did not deny, but confessed, "I am not the Christ."They asked him, "What then? Are you Elijah?" And he said, "I am not." "Are you the Prophet?" And he answered, "No."…'' [John 1:20-21](যোহন একথার জবাব খোলাখুলিভাবেই দিলেন; তিনি উত্তর দিতে অস্বীকার করলেন না৷ তিনি স্পষ্টভাবে স্বীকার করলেন, ‘আমি সেই খ্রীষ্ট নই৷’তখন তাঁরা তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তাহলে আপনি কে? আপনি কি [এলিয়/আল-ইয়াসা(আ)/এলিজাহ/Elijah] ?’যোহন বললেন, ‘না, আমি এলিয় নই৷’ইহুদীরা জিজ্ঞেস করলেন, ‘তবে আপনি কি সেই ভাববাদী(নবী)?’যোহন এর জবাবে বললেন, ‘না৷’) [যোহন অধ্যায়ঃ অনুচ্ছেদঃ ২-৩] 





এখানে, যোহন/ইয়াহিয়া(আ) স্পষ্টই বলছেন যে, ''আমি খ্রীষ্ট/মসীহ নই আবার
এলিয়/আল-ইয়াসা(আ) নামক নবীও নই এমনকি আমি সেই সর্বশেষ নবীও নই যার অপেক্ষা ইহুদী/ইসরাঈলেরা করছিল।আর এই নবীটাই আর কেউ নয় মুহাম্মদﷺ কারণ একমাত্র তিনিই সকল ভবিষৎ বাণী পূরণ করেছেন এবং তিনি ছিলেন চরম সত্যবাদী অর্থ্যাৎ মিথ্যার কোনো অবকাশই নেই।'' 


আর মুহাম্মদﷺ ও বলেগেছেন যে, 
''আল্লাহর শপথ। কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না, প্রায় ত্রিশজনের মত মিথ্যা নবুয়াত দাবীকারীর আত্মপ্রকাশ ঘটবে,সবাই নিজেকে নবী বলে দাবী করবে,অথচ আমি হলাম সর্বশেষ নবী।আমার পর পৃথিবীতে আর কোনো নতুন নবীর আগমন করবে না।অন্য হাদীসে আরও বলা হয় তন্মধ্যে চারজন মহিলা''(বুখারী,মুসনাদে আহমদ,আবুদাউদ) 




মুহাম্মদﷺএর এই ভবিষৎবাণীও পূরণ হচ্ছে আগেও অনেক ভন্ড নবীর আগমন
ঘটেছিল ১৯শতকেও ভন্ড নবী এসেছে এমনকি এই (২০) বিংশশতাব্দীতেও জীবিত ভন্ড নবী রয়েছেন আপনারা সকলেই তাকে চিনেন।তিনি হচ্ছেন বাংলাদেশী দেওয়ানবাগী পীর আর ১৯শতকের ভন্ড নবী হলেন ভারতের মির্জা গোলাম আহমেদ কাদিয়ানী 


                   

চিত্র: বামে কাদিয়ানী এবং ডানে দেওয়ানবাগী । 


অনেকে বলবেন মুহাম্মদﷺ কি বসেছিলেন বাইবেল এর ভবিষৎবাণীর পর তিনি কি ইহুদীদের বলেননি যে আমার আসার কথাতো তোমাদের কিতাবে আছেই।=>হ্যাঁ অবশ্যই তিনি গেছেন ইহুদীদের ঘরে তাঁর ভবিষৎ বাণী সাম্পর্কে জানতে তথাঃ



চিত্রঃ সূরা আরাফ ১৫৭ নং আয়াতের তাফসীর ইবনে কাসীর বাংলায় ৪১০ নং পৃষ্ঠা। 



তাহলে দেখা যাচ্ছে মুহাম্মদﷺ নিজেই ঐযুগেই নিজের সমন্ধে ভবিষৎবাণী শুনেছেন আহলে 
কিতাবদের (ইয়াহূদী,খ্রিষ্টানদের) কাছথেকে। 



চলবে.......(নিচের গুলো ইডিট হচ্ছে)










And remember, Jesus, the son of Mary, said: "O Children of Israel! I am the apostle of Allah (sent) to you, confirming the Law (which came) before me, and giving Glad Tidings of an Messenger to come after me, whose name shall be Ahmad." But when he came to them with Clear Signs, they said, "this is evident sorcery!" [সূরা আছ-ছফ 14] 
এ আয়াত সম্পর্কিত বাইবেলের শ্লোকা ও মুহাম্মদ সম্পর্কিত ভবিষ্যতবাণী : 
কিংবা যে পড়তে জানে না তাকে কিতাবটা দিয়ে যদি বলা হয় “পড়!” তবে জবাবে সে বলবে, “আমি পড়তে জানি না” বাইবেল: ইসাইয়া: ২৯:১২ 




আল- কুরআন বাইবেল থেকে নকল কিংবা চুরি করে নিজের বলে চালানো হয় নি। আমি আপনাকে যেরুপ ঐতিহাসিক বাস্তবতা বলেছি যে, নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) নিরক্ষর ছিলেন, এটা প্রমানের জন্য যথেষ্ট। আল কুরআনের ঘোষণা- “যারা এই বার্তাবাহক নিরক্ষর রাসুলের অনুসরণ করে। যার উল্লেখ তাদের (কিতাব) তাওরাত ও ইঞ্জিলেও তারা দেখতে পায় ”।(সুরাঃআল-আরাফ আয়াতঃ১৫৭) 
এবং আজ ও যদি আপনি বাইবেল অধ্যয়ন করেন। ইসাইয়াহ গ্রন্থের অধ্যায়ঃ ২৯ অনুচ্ছেদঃ১২-তে উল্লেখ আছেঃ “একজন নবীকে যিনি শিক্ষিত নয়, তাকে একটি কিতাব দেয়া হবে”।[ইসাইয়াহ গ্রন্থের অধ্যায়ঃ ২৯ অনুচ্ছেদঃ১২] 




অথবা তুমি কাউকে বইটি দিতে পার, যে পড়তে পারে না| সেই লোকটিকে পড়তে বললে সে বলবে, “আমি এই বই পড়তে পারব না| কারণ কি ভাবে বইটি পড়তে হয় তা আমার জানা নেই|[ইসাইয়াহ গ্রন্থের অধ্যায়ঃ ২৯ অনুচ্ছেদঃ১২]আল- কুরআন বলছে “তাদের গ্রন্থে”, যদি আপনি বাইবেল খোলেন এটা তাদের ইসাইয়া হতে অধ্যায়-২৯, অনুচ্ছেদ-১২ তে রয়েছে। ঐসব প্রাচ্যবিদ, যারা বলে রাসুল (সাঃ) আল কুরআনকে বাইবেল থেকে নকল করেছেন (নাউযুবিল্লাহ) তারা উপলব্দি করতে ব্যর্থ হয়েছে যে হযরত রাসুল (সাঃ) যখন বর্তমান ছিলেন তখন বাইবেলের কোন আরবি অনুবাদ ছিল না। প্রথম ওল্ড টেস্টামেন্ট আরবিতে যেটা আমাদের নিকট আছে তা আর সাদিয়াস গাওন কতৃক ৯০০(900) খ্রিস্টাব্দে অনূদিত। সেটা সাধারণ বিষয়, রাসুল (সাঃ) এর ওফাতের ২০০(200) বছরের পরে এবং আরবিতে সবার আগে যে নিউ টেস্টামেন্ট আমাদের হাতে যেটা আছে, তা প্রকাশিত হয় ১৬১৬(1616) খ্রিস্টাব্দে রাসুল (সাঃ) এর ওফাতের প্রায় একহাজার বছর পরে। আমি এ ব্যাপারে একমত হতে পারি যে, বাইবেল এবং আল কুরআনের মধ্যে আংশিক মিল রয়েছে। এতে এটা বুঝায় না যে, বাইবেল পরেরটা পূর্বেরটা থেকে নকল করা হয়েছে। এটা এ অর্থ দেয় যে, উভয়েরই তৃতীয় উৎস আছে। আল্লাহর অবতীর্ণ সব সংবাদেই আল্লাহকে বিশ্বাস করার কথা উল্লেখ আছে। তাঁদের একই সংবাদ আছে। পরবর্তীতে সকল অবতীর্ণ কিতাবেরই সময়-সীমা নির্ধারিত ছিল। যেমন আমি উল্লেখ করেছি, সেগুলো তাঁদের মূল গঠনের উপর নেই। সেগুলোতে অন্যায় সংযোজন( তাহরীফ) ঘটেছে। সেগুলোতে অনেক মানব সংযোজিত মিথ্যা কাহিনী সংযুক্ত রয়েছে। তারপরেও সেগুলোতে আবশ্যকীয় ভাবে আংশিক বিষয় মিল রয়েছে। শুধু মিলগুলোর কারণে বলা ভুল হচ্ছে যে, এগুলো রাসুল (সা বাইবেল থেকে নকল করেছেন। এক্ষেত্রে এটাও প্রমাণিত হয় যে, যীশু বা ঈসা আঃ (নাউযুবিল্লাহ) নিউ টেস্টামেন্ট, ওল্ড টেস্টামেন্ট থেকে নকল করেছেন, কেননা নিউ এবং ওল্ড টেস্টামেন্টের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। উভয় গ্রন্থই একই উৎস (আল্লাহর) থেকে আগত। মনে করুন কেউ পরীক্ষায় নকল করল, আমি উত্তরপত্রে লিখবনা, আমি আমার প্রতিবেশীর থেকে নকল করলাম। আমি লিখবনা, আমি X Y Z থেকে নকল করেছি। রাসুল (সা এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পরিস্কারভাবে নির্দেশনা দিচ্ছেন যে ঈসা (আঃ), মুসা (আ এবং সব নবী আল্লাহ প্রেরিত। এটা তাঁদের সম্মান ও মর্যাদা দান করে। তিনি যদি নকল করতেন তাহলে তিনি বলতেন না যে ঈসা(আঃ), মুসা(আঃ) আল্লাহর নবী ছিলেন।এটা প্রমাণ করে যে, তিনি নকল করেন নি; শুধু ঐতিহাসিক বিষয়াবলি ওপর ভিত্তি করে কোন ব্যক্তির দ্বারা বলা কঠিন- কোনটি সঠিক, বাইবেল না আল কুরআন।যাই হোক, আমরা বৈজ্ঞানিক জ্ঞান প্রয়োগ করে পরীক্ষা করতে পারি। এর উপরিভাগে যদি আপনি দৃষ্টি দেন তাহলে আপনি দেখতে পাবেন অনেক ঘটনা এবং বিষয় কুরআনে যেমন উল্লেখ আছে বাইবেলে ও উল্লেখ আছে। আপনি একই রকমই দেখতে পাবেন। কিন্তু আপনি যদি পর্যালোচনা করেন তাহলে আকাশ পাতাল পার্থক্য পাবেন। দৃষ্টান্ত হিসেবে, বাইবেলে উল্লেখ আছে, জেনেসিস প্রথম অধ্যায়, বিশ্ব স্বর্গ ও পৃথিবী সৃষ্টি সম্পর্কে বলা হয়েছে এটি ৬ দিনে সৃষ্টি হয়েছে এবং দিনের বর্ণনা করা হয়েছে ২৪ ঘণ্টা সময়। আল কুরান বিভিন্ন স্থানে যেমনঃ সুরা আল আরাফের ৫৪ নং আয়াত এবং সুরা ইউনুস এর ৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, “জান্নাত এবং পৃথিবী ৬ আইয়্যামে সৃষ্টি করেছি”। আরবি শব্দ “ইয়াওমুন” শব্দটি ইয়াওমুন শব্দের বহুবচন যার অর্থ দিন । “ইয়াওমুন” অর্থ দিন এর অর্থ অনেক দীর্ঘ সময় এমনকি যুগ ও বুঝায়। অতএব এখানে আল কুরআন যখন বলবে জান্নাত এবং পৃথিবী ছয় যুগ ধরে অর্থাৎ অনেক অনেক দীর্ঘ ধরে সৃষ্টি হয়েছে, তাহলে এ বর্ণনায় বিজ্ঞানীদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ছয় দিনে সৃষ্টি হয়েছে এটা অবৈজ্ঞানিক তথা অযৌক্তিক। বাইবেল ১নং জেনেসিস অধ্যায়ের ৩ ও ৫ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে ; প্রথম দিনে দিন ও রাত সৃষ্টি হয় এবং বিজ্ঞান আমাদের বলছে মহাবিশ্বের আলো সৃষ্টি হয়েছে নক্ষত্রের প্রতিক্রিয়ায় এবং বাইবেলে জেনেসিস ১ম অধ্যায়- এর অনুচ্ছেদ ১৪ ও ১৯ এ উল্লেখ আছে যে, সূর্য চতুর্থ দিনে সৃষ্টি হয়েছিল,কিভাবে সম্ভব এটা যে, ফলাফল যেটা হল “আলো” সূর্যের চারদিন পূর্বে সৃষ্টি হয়েছে? অযৌক্তিক, এটা অবৈজ্ঞানিক, পৃথিবী যা দিন রাতের অস্তিত্বের জন্য প্রয়োজন, তা সৃষ্টি হয়েছে তৃতীয় দিনে। আল কুরআন ও আলো এবং সৃষ্টি সম্পর্কে বলে তবে এটা অসম্ভব ও অবৈজ্ঞানিক ধারাবাহিকতা প্রদান করে না। আপনারা কি মনে করেন যে, নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) বাইবেল থেকে নকল করে সংশোধন করে ঘটনাক্রমগুলো সাজিয়ে দিয়েছেন। এগুলো ১৪০০ বছর পূর্বে কেউ জানতেন না। বাইবেলের জেনেসিস ১ম অধ্যায়ের ৯ থেকে ১৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে পৃথিবী তৃতীয় দিনে সৃষ্টি করা হয়, ১৯ নং অনুচ্ছেদ উল্লেখ আছে যে, সূর্য এবং চন্দ্র চতুর্থ দিনে সৃষ্টি করা হয়েছে। আজ বিজ্ঞান আমাদের বলছে যে, পৃথিবী এবং চন্দ্র মূল নক্ষত্রের অর্থাৎ সূর্যের অংশ মাত্র। এটা অসম্ভব যে, পৃথিবী সূর্যের আগে সৃষ্টি হয়েছে। এটা অবৈজ্ঞানিক। বাইবেলের জেনেসিস অধ্যায় নং ১ অনুচ্ছেদ ১১ এবং ১৩ তে সব্জির রাজত্ব, বীজ, বীজ বহনকারী চারাগাছ, লতা, গাছ-পালা তৈরি হয়েছিল তৃতীয় দিনে এবং ১৪ থেকে ১৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে,সূর্য সৃষ্টি হয়েছিল চতুর্থ দিনে। কিভাবে সবজির মূল সূর্য ছাড়াই অস্তিত্বে আসলো? বাইবেলে জেনেসিস ১ম অধ্যায়, অনুচ্ছেদ ১৬ তে বলা হয়েছে “সর্বশক্তিমান ঈশ্বর দুটি বড় আলো তৈরি করেছেন, সূর্য যেটা বড় আলো দিনকে পরিচালনা করার জন্য এবং চন্দ্র অপেক্ষাকৃত কম আলো, রাতকে পরিচালনা করার জন্য”। বাইবেল বলে সূর্য ও চন্দ্রের নিজস্ব আলো রয়েছে। আমি পূর্বে যেমন উল্লেখ করেছি, আল কুরআনের সূরা ফুরকান-এর ৬১ নং আয়াতে বর্ণিত আছে চন্দ্রের আলো প্রতিবিম্বিত আলো। এটা কিভাবে সম্ভব যে, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সব বৈজ্ঞানিক বাস্তবতাকে নকল করে সংগ্রহ করেছেন। এটা সম্ভব নয়।আপনি বাইবেল এবং আল-কুরআনে বর্ণিত ঘটনাবলি পর্যালোচনা করেন তাহলে উভয়ের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য দেখতে পাবেন। বাইবেলে আদম (আঃ)- এর সৃষ্টির ঘটনা বর্ণিত আছে। প্রথম মানব যিনি পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছিলেন তিনি হলেন আদম (আঃ) এবং বাইবেলে তার আনুমানিক তারিখ দিয়েছে ৫৮০০ বছর আগে। আজ প্রত্নত্বত্ত বিদ্যা ও নৃ বিদ্যার সাক্ষ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞান বলছে যে, প্রথম মানব দশহাজার বছর আগে বিদ্যমান ছিল। আল-কুরআনও আদম (আঃ) সম্পর্কে আলোকপাত করেছে যে, তিনি প্রথম মানব ছিলেন; কিন্তু অবৈজ্ঞানিক কোন তারিখ ঘোষণা করেনি। বাইবেলে নূহ (আঃ) এর ঘটনা বর্ণনা করে যে, সেখানে যে প্লাবন হয়েছিল, তা ছিল পৃথিবী ব্যাপী প্লাবন। জেনেসিস ৬,৭ ৮ নং অধ্যায়ে উল্লেখ আছে “ সেকালে হয়েছিল এক বিশ্বব্যাপী প্লাবন, এর ফলে পৃথিবীতে বসবাসকারী সব প্রানী ডুবে যায় এবং মারা যায় একমাত্র এ সব ছাড়া যারা নূহ (আঃ) এর কিস্তিতে ছিলেন”। বাইবেলে উল্লেখিত আনুমানিক তারিখ হল একবিংশ বা দ্বাবিংশ শতাব্দী। আজ প্রত্নত্বত্ত সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, মিসরের ১১তম রাজবংশ এবং ব্যাবিলনের ২য় রাজবংশ, খ্রিস্টপূর্ব একবিংশ শতাব্দীতে কোনরূপ বাধা বিঘ্ন ছাড়াই চলছিল। অর্থাৎ এ ধরণের প্লাবন সেখানে হয় নি। আল-কুরআনেও নূহ (আঃ) ও বন্যা সম্পর্কে উল্লেখ আছে, কিন্তু কোন তারিখ উল্লেখ নেই এবং আল কুরআন যে প্লাবনের কথা বলে তা ছিল স্থানীয় প্লাবন।, এটি বিশ্বব্যাপী পরিব্যাপ্তির কথা বলেনি এবং এ প্লাবন ছিল নূহ (আঃ) এর লোকদের মধ্যে এবং এর ওপরে বিজ্ঞানীদের কোন দ্বিধা দ্বন্দ্ব নেই। সুতরাং আপনি নিজেই বের করে নিতে পারেন যে, আল- কুরআন বাইবেল থেকে নকল করা হয়েছে কিনা?যদিও এই আয়াতের মাধ্যমেই কানাডার ভূণবিজ্ঞানী প্রফেসর কিৎমুর ভূণ আবিষ্কার করেছিলেন এবং লিখেছেন ''মানব প্রবৃদ্ধি'' যা আট ভাষায় অনূদিত এবং ''রেফারেন্স বুক'' হিসেবেও স্বীকৃত।'আলাক' অর্থ তিনটি ভূণ,জমাট রক্ত,জোঁক।Mohammedan https://www.facebook.com/MuslimLesson/videos/vr.986193154726419/983176645028070/?type=2&theaterhttps://www.facebook.com/MuslimLesson/videos/vr.986193154726419/983176645028070/?type=2&theaterতবে এটুকু বলা যায়,পাপাচারে ভরপুর জাহেলি সমাজে বাস করেও তিনি ছিলেন পূত-নিখুঁত। শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।পাঠ করুন আপনার পালনকর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেনসৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে।পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহা দয়ালু,যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন,শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।সত্যি সত্যি মানুষ সীমালংঘন করে,এ কারণে যে, সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে।নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার দিকেই প্রত্যাবর্তন হবে।আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে নিষেধ করেএক বান্দাকে, যখন সে নামায পড়ে?আপনি কি দেখেছেন যদি সে সৎপথে থাকে।অথবা খোদাভীতি শিক্ষা দেয়।আপনি কি দেখেছেন, যদি সে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়।সে কি জানে না যে, আল্লাহ দেখেন?কখনই নয়, যদি সে বিরত না হয়, তবে আমি মস্তকের সামনের কেশগুচ্ছ ধরে হেঁচড়াবই-মিথ্যাচারী, পাপীর কেশগুচ্ছ।অতএব, সে তার সভাসদদেরকে আহবান করুক।আমিও আহবান করব জাহান্নামের প্রহরীদেরকেকখনই নয়, আপনি তার আনুগত্য করবেন না। আপনি সেজদা করুন ও আমার নৈকট্য অর্জন করুন। - 


'আলাকঅর্থ তিনটি ভূণ,জমাট রক্ত,জোঁক।Mohammedan
  



 তবে এটুকু বলা যায়,পাপাচারে ভরপুর জাহেলি সমাজে বাস করেও তিনি ছিলেন পূত-নিখুঁত। 


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়অতি দয়ালু।

Message

এখান থেকে কপি পেষ্ট করার অনুমতি দেয়া হলো আমার নাম ও এই ব্লগের রেফারেন্স সহ কারণ ইসলাম প্রচারই উদ্দশ্য।

Copyright © King Fahim Published By Blogger Templates20 | Powered By Blogger

Design by Anders Noren | Blogger Theme by NewBloggerThemes.com